মেয়েদের মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার উপায় এবং চিকিৎসা

মেয়েদের মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার উপায় এবং চিকিৎসা

মেয়েদের মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার উপায় সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের বেশ কয়েকটি স্থায়ী ও অস্থায়ী, প্রাকৃতিক এবং অপ্রাকৃতিক উপায় নিয়ে সাঁজানো হয়েছে এই আর্টিকেলটি। আশা করি, লেখাটি পড়ে মেয়েরা উপকৃত হবেন।


মুখে অবাঞ্ছিত লোম থাকায় বহু মেয়ে ভীষণ রকমের হীনম্মণ্যতায় ভোগে। বিভিন্ন হরমোনের আধিক্যে জন্মানো এসব লোম তাদের নারীসুলভ সৌন্দর্যে দাগ তো কাটেই, পাশাপাশি অনেককে ঠাট্টা উপহাসের পাত্রীও বানিয়ে ছাড়ে।

তাই, মেয়েরা ছোটে পার্লারে। প্রচুর টাকা খরচ করে মুখের অবাঞ্ছিত লোমগুলো সরিয়ে এসে হাঁফ ছেড়ে থিতু হয়ে বসার আগেই দেখা যায়, আবারো মাথা তুলে নির্লজ্জের মতো আগমন বার্তা জানাচ্ছে সেই আগের হতচ্ছাড়াগুলো।

প্রাকৃতিক পদ্ধতি প্রয়োগ করে মেয়েদের মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার উপায়

সহজলভ্য প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে মুখের লোম তুলে ফেললেও, অবশ্যই একদিন তা আবারো ফিরে আসবে। তবুও, পার্লারে যেয়ে লোম তোলার চেয়ে ঘরে বসে তোলা ঢের ভালো। এতে আপনার টাকা পয়সা বাঁচার পাশাপাশি সময় বাঁচবে। আর বলাবাহুল্য, পার্লারের ওসব হরেক রকমের ক্যামিকেলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়টা অন্তত থাকবে না।

চিনি ও লেবুর মিশ্রণ ব্যবহার করে মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার উপায়

চিনি ও লেবুর তৈরী মিশ্রণ দিয়ে মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলাকে বলা হয় সুগারিং পদ্ধতি। অন্যান্য ঘরোয়া পদ্ধতির চেয়ে এই পদ্ধতিটি বেশি জনপ্রিয় এবং ফলদায়ক।

এই পদ্ধতিতে মুখের লোম উঠানোর জন্য একটি পাত্রে ১ কাপ চিনি, ২-৩ চা চামচ লেবু এবং সামান্য পরিমাণ পানি নিয়ে চুলায় জ্বাল দিতে হবে। দ্রবণটি গরম হয়ে ফুটতে শুরু করলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করতে হবে।

দ্রবণটি ঠান্ডা হয়ে গেলে একটা আয়নার সামনে আরাম করে বসে যাবেন। তারপর আপনার মুখের লোমগুলো যে দিকে ভাঁজ হয়ে থাকে, তার বিপরীত দিক থেকে আঙ্গুল চালিয়ে লাগিয়ে নিবেন।

মুখে লাগানো দ্রবণটুকু ঠান্ডা হয়ে শক্ত ফেইস মাস্কে রূপ নিলে একইভাবে লোমের ভাঁজের বিপরীত দিকে মাস্কের কোণা ধরে টান দিয়ে তুলে ফেলবেন।

আরও পড়ুন-

আলু ও মসুর ডাল ব্যবহার করে মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার উপায়

এই মিশ্রণটি প্রস্তুত করার জন্য আগের দিন রাতে একটি বাটিতে মসুর ডাল পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরেরদিন ভিজানো ডাল বেটে পেস্ট তৈরী করে নিন।

এরপর, একটি পাত্রে ডালের পেস্টের সাথে এক চা চামচ মধু, চার-পাঁচ চা চামচ আলুর রস এবং দুই-তিন চা চামচ লেবুর রস নিন। খেয়াল রাখবেন, মিশ্রণটা যেন মাখো মাখো টাইপ হয়। বেশি পাতলা বা ঘন হয়ে গেলে ভালো ফল পাওয়া যাবে না।

মিশ্রণটি মুখে লোমের বৃদ্ধিপ্রাপ্ত দিকের বিপরীত দিক থেকে মাখিয়ে আধা ঘন্টা অপেক্ষা করুন। মিশ্রণটি শক্ত হয়ে আলতো করে টেনে তুলে ফেলুন।

বেকিং সোডা ও ডিম ব্যবহার করে মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার উপায় বা পদ্ধতি

১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা এবং ৩ চা চামচ চিনির সঙ্গে একটি ডিমের শুধুমাত্র সাদা অংশটুকু মিশিয়ে নিন। তারপর অন্যান্য মিশ্রণের মতো মুখে লোমের গ্রোথের বিপরীত দিক থেকে মুখে লাগিয়ে নিন।

মিশ্রণটি শুকিয়ে মুখের সাথে লেগে না যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর শক্ত হয়ে ফেইস মাস্ক তৈরী হয়ে গেলে আস্তে আস্তে তুলে ফেলুন।

কলা ও ওটমিল প্রয়োগ করে মুখের অবাঞ্চিত লোম দূর করার উপায়

বাংলাদেশের অনেকেই ওটমিল চেনে না। এটা গম জাতীয় এক ধরণের শস্য। বহু বছর ধরে বিদেশে এর চাষ হয়ে আসছে। পাশের যেকোনো মুদি দোকানেই এটা পাওয়া যাবে।

মেয়েদের মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার উপায় হিসেবে একটি পেষ্ট তৈরি করতে হবে দুই চা চামচ ওটমিল এবং একটা পাকা কলা মিশিয়ে। তারপর মুখে লাগিয়ে বসে থাকতে হবে ২০ থেকে ২৫ মিনিট। এরপর ধুয়ে ফেলতে হবে।

দুধ ও হলুদ মিশ্রণ ব্যবহার করে মুখের অবাঞ্চিত লোম দূর করার উপায়

বেশিরভাগ মেয়ের মুখের নাক ও উপরের ঠোঁটের মাঝখানের জায়গাটায় সবচেয়ে বেশি লোম দেখা যায়। এই স্থানের অবাঞ্ছিত লোম দূর করার জন্য দুই চা চামচ হলুদের গুঁড়োর সঙ্গে দুই চা চামচ দুধ মেশিয়ে নিন।

মিশ্রণটি কমপক্ষে বিশ মিনিট রেখে দিন। এরপর মিশ্রণটি ধুয়ে ফেলুন।

লেবুর রস ও মধু ব্যবহার করে মুখের অবাঞ্চিত লোম তোলার পদ্ধতি

দুই চা চামচ চিনি এবং দুই চা চামচ লেবুর রসের সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। তারপর কয়েক মিনিট চুলায় নিয়ে গরম করুন। এই মিশ্রণটাকে একটু পাতলা করার জন্য সামান্য পানি যোগ করতে পারেন।

মিশ্রনটি তৈরী হয়ে গেলে ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর নাক ও উপরের ঠোঁটের মধ্যবর্তী স্থানে বেকিং সোডা লাগানোর পর মিশ্রণটি লাগান। তারপর মিশ্রণটি সুতি কাপরের সাহায্যে লোমসহ তুলে ফেলুন।

আটা ও নারিকেলের তেল মিশ্রণ ব্যবহারে মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার উপায়

ঠোঁটের চারপাশে যাদের ছোট ছোট লোম ওঠে, এই মিশ্রণটি তাদের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত। মুখে ঠোঁটের চারপাশের ছোট ছোট লোম দূর করার জন্য, আটার সাথে সামান্য পরিমাণে পানি মিশিয়ে একটা ঘন মিশ্রণ তৈরী করুন।

নারিকেলের তেল ঠোঁটের চারপাশে ম্যাসাজ করুন এবং তারপর আটার মিশ্রণটি ঠোঁটের চারপাশে লাগানো তেলের উপর ৫ মিনিট যাবৎ ঘষে ঘষে লাগিয়ে নিন। এরপর মিশ্রণটি শুকিয়ে যাওয়ার জন্য ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর হেয়ার গ্রোথের বিপরীত দিক থেকে ঘষে ঘষে এটিকে তুলে ফেলুন।

মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার এসব ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহারের সতর্কতা

যেকোনো বাড়তি ঝামেলা এড়াতে –

• অনুগ্রহ করে কোনো পুরুষ মানুষ নিজের শক্ত ও মোটা দাড়ি মুচ উঠানোর জন্য এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করতে যাবেন না। অতি উৎসাহী হয়ে কেউ ব্যবহার করলে, এমন দারুন অভিজ্ঞতা হবে, যা আজীবনেও ভুলতে পারবেন না। 🙂

• উপরের যেকোনো মিশ্রণ ব্যবহারের পূর্বক্ষণেই একবার আপনার স্কিন টাইপ টেস্ট করিয়ে নিন। এতে আপনি বুঝতে পারবেন, মিশ্রণটি আপনার ত্বকে কোনো বাজে প্রভাব ফেলতে চলেছে কিনা।

স্কিন টেস্ট করার জন্য অল্প পরিমাণ মিশ্রণ বানিয়ে আপনার হাতের দেহের দিকের অংশে লাগিয়ে রাখুন। তারপর উপরে নির্দিষ্ট করে দেয়া সময় পর্যন্ত রেখে ধুয়ে ফেলুন।

প্যাক লাগানোর পর যদি আপনার ত্বকের ঐ স্থানে সামান্য চুলকায় অথবা লাল হয়ে যায় , তবে ঐ মিশ্রণটি মুখে প্রয়োগ করবেন না।

• মুখের যে অংশটির লোম আপনি তুলতে চাইছেন, সেই অংশে যদি কোনো ব্রণ বা ব্রণের ফেলা যাওয়া গভীর গর্ত থাকে, তবে অনুগ্রহ করে এখানেই থেমে যান। ব্রণ এবং ব্রণের ক্ষত ঠিক না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

মেয়েদের ত্বকের অবাঞ্ছিত লোম তোলার আরো কিছু উপায়

বর্তমান সময়ে ত্বকের অনাকাঙ্খিত লোম ওঠানোর জন্য কয়েকটি যন্ত্র এবং রাসায়নিক পদার্থ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এগুলোর মধ্যে টুইজার, এপিলেটর এবং ডিপিলেটরি ক্রিম, লেজার হেয়ার রিমুভিং ট্রিটমেন্ট অন্যতম। নিচে এগুলোর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া হলো।

টুইজারের ব্যবহার

টুইজিং করার ক্ষেত্রে শেভিং এর মতো লোমগুলোকে কেটে না ফেলে টুইজার বা আংটা দিয়ে সম্পূর্ণ গোড়া থেকে উপড়ে ফেলা হয়। তাই এক বার টুইজিং করলে ঐ স্থানে লোম গজাতে প্রায় তিন থেকে আট সপ্তাহ লেগে যায়। সাধারণত আইভ্রুর লোম তোলার জন্য টুইজিং বেশি করা হয়ে থাকে।

টুইজার ব্যবহার করে মেয়েদের মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার উপায়

Image by kropekk_pl from Pixabay

বাসায় টুইজিং করার জন্য প্রথমে একটি তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে ত্বকে চেপে ধরে রাখতে হবে। এতে ত্বক কোমল হবে এবং সহজেই অনাকাঙ্ক্ষিত লোম তুলে ফেলা যাবে।

এই পদ্ধতিতে লোম তোলার ক্ষেত্রে অবশ্যই একটা একটা করে লোম সাধারণ গ্রোথের বিপরীত দিকে টান দিয়ে তুলতে হবে। এভাবে লোম উঠালে একটু ব্যাথা লাগবে ঠিকই, তবে সেটা খুবই সামান্য। খুব বেশি ব্যাথা লাগলে ফ্রিজ থেকে বরফ নিয়ে ব্যাথাযুক্ত ত্বকে লাগাবেন।

এপিলেটরের ব্যবহার

এপিলেটরগুলোর কাজ অনেকটা টুইজারের মতোই। টুইজার এবং এপিলেটরের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো, টুইজার দিয়ে একই সময়ে একটা মাত্র লোম তুলতে হয়, কিন্তু এপিলেটর দিয়ে একইসঙ্গে অনেকগুলো তোলা যায়।

এপিলেটর ব্যবহার করে মেয়েদের মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার উপায়

Image by devansee from Pixabay

শরীরের যেসব স্থানে অনেক বেশি লোম থাকে, সেখানে একটা একটা করে লোম তোলা অনেকটাই সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তাই পা থেকে ও হাত এবং কারো কারো গালের মতো জায়গার লোম এপিলেটরের মাধ্যমে তোলা হয়। শরীরের বিভিন্ন অংশের জন্য ভিন্ন ভিন্ন আকারের এপিলেটর থাকায় এর ব্যবহার অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে।

ডিপিলেটরি ক্রিমের ব্যবহার করে মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার উপায়

ডিপিলেটরি ক্রিমগুলোতে সোডিয়াম, টাইটানিয়াম ডাই অক্সাইড এবং বেরিয়াম সালফাইডের মতো বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে, যেগুলো আমাদের লোমের প্রোটিনকে ভেঙ্গে দেয়। যার ফলে খুব সহজেই লোমগুলো গোড়া থেকে উঠে আসে।

এইধরণের ক্রিম ব্যবহারে কারো কারো ত্বকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে। তাই, এই জাতীয় ক্রিম কেনার পর প্রথমে ত্বকের যেকোনো একটি জায়গায় লাগিয়ে দেখে নিবেন, কোনো জ্বালাপোড়া বা চুলকানি হচ্ছে কিনা। তবে মনে রাখবেন, পরীক্ষা করার জন্য যেখানেই এটা লাগাবেন, সেখানকার সব লোম বা চুল কিন্তু উঠে যাবে।

বাংলাদেশে বেশ কয়েক ডিপিলেটরি ক্রিম পাওয়া যায়। “Veet” সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।

লেজার হেয়ার রিমুভিং ট্রিটমেন্ট করে মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার উপায়

অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় লেজার হেয়ার রিমুভিং ট্রিটমেন্ট বেশি ইফেক্টিভ। কারণ এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোনো স্থানের লোম তুলে ফেলা হলে, পরবর্তিতে সেখানে লোমের সংখ্যা অনেক কমে যায় এবং অবশিষ্ট লোমগুলো পাতলা ও ধীর বৃদ্ধিসম্পন্ন হতে থাকে। এটাকে লোম তুলে ফেলার মোটামুটি স্থায়ী একটি চিকিৎসা বলা যেতে পারে।

লেজার হেয়ার রিমুভিং ট্রিটমেন্ট ব্যবহার করে মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার উপায়

ইমেজ সোর্স: Wikipedia

লেজার হেয়ার রিমুভিং ট্রিটমেন্ট তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ একটি চিকিৎসা। সম্পূর্ণ ফল পেতে ত্বকের ধরণ অনুযায়ী প্রায় ৪-৬ টি সেশনে ট্রিটমেন্ট নিতে হয়।

সবগুলো সেশন শেষ করতে বছরখানেক সময় লাগে। প্রতিটি সেশনে খরচা করতে হয় প্রায় সাড়ে চার হাজার টাকা।

শেষকথা

রেজর ব্র্যান্ড জিলেট দ্বারা পরিচালিত একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ব্রিটেনে ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী মেয়েদের মধ্যে যারা সোশ্যাল মিডিয়াতে নিজের ছবি পোস্ট করে না, তাদের ৫০ শতাংশই মুখের অনাকাঙ্ক্ষিত লোমের জন্য নানা দ্বিধা দ্বন্দে ভুগে থাকে।

বৃটেনের নারীদেরকে এই লোম সম্পর্কিত দ্বিধা দ্বন্দ থেকে বের করে আনার জন্য সম্প্রতি ব্রিটেনে ‘#Januhairy’ এবং ‘#bodyhairdontcare’ হ্যাশট্যাগে বিভিন্ন প্রচারণা ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

সুতরাং, বিষয়টা সত্যিই সিরিয়াস।

মেয়েদের বুঝতে হবে, মুখে অনাকাঙ্ক্ষিত লোম থাকলেই যে তাকে যাচ্ছেতাই লাগবে, তা কিন্তু নয়। সবার মুখেই লোম থাকে – কারো কম, কারো বেশি। তাই, লোম নিয়ে অযথা দুঃশ্চিন্তায় ভুগবেন না।

কিন্তু, যদি এমন হয় যে, লোমের টেনশনে আপনি হীনম্মণ্যতায় ভুগছেন, তবে দেরী না করে উপরের যেকোনো একটি পদ্ধতির সাহায্যে লোম সরিয়ে ফেলুন। সামর্থ থাকলে লেজার ট্রিটমেন্ট প্রয়োগ করুন। হীনম্মন্যতা অন্তত দূর হোক। 😀

প্রাসঙ্গিক লেখা-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *